র্যাবের যৌথ অভিযানে গনধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার
জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
জয়পুরহাট ও দিনাজপুর র্যাব ক্যাম্প এর যৌথ অভিযানে দিনাজপুর জেলার কোতয়ালী থানার চাউলপট্টি এলাকা থেকে গনধর্ষণ মামলায় এজাহার নামীয় এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন।
শুক্রবার সকালে জয়পুরহাট র্যাব ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামি হলেন, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার দমদমা গ্রামের মৃত ওবাইদুল এর ছেলে অনিক (৩২) ।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বাসিন্দা মো.মোস্তাক আহম্মেদ এর মেয়ের সাথে জৈনেক স্বপন হোসেনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে পরিবারের লোকজনের সাথে ০৬ অক্টাবর মাসের ছয় তারিখে ঝগড়া হয়। পরে রাত আনুমানিক ১১ টার সময় (মোস্তাক আহাম্মেদের মেয়ে) ভিকটিম রাগ করে বাসা থেকে বের হয়ে পাঁচবিবি পৌর পার্কে আসে। সেখান ভিকটিমর পূর্ব পরিচিত ১নং আসামি মাঃ রবিউল ইসলামের ওরফে রেজার সাথে দেখা হয়,তার সাথে কথাবার্তার এক পর্যায়ে রেজা তার বন্ধু অনিককে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ডেকে আনেন। পরে রেজা এবং তার বন্ধু অনিক ভিকটিমকে তাঁর প্রেমিকের সাথে বিয়ে দেয়ার কথা বলে পার্কের ভিতর পুকুর পাড়ের দক্ষিণ পার্শ্বে বসার যায়গায় নিয়ে গিয়ে রাত আনুমানিক ১২ টায় জোর পূর্বক পালাক্রম ধর্ষণ করে।
ধর্ষনের পরে সে কথা কাউকে না বলার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে রাত আনুমানিক চারটায় তাদের মোটরসাইকেলে করে ভিকটিমকে তার বসতবাড়ির সামনে পৌঁছে দিয়ে দ্রুত চলে যায়। এঘটনার পর ভিকটিম তার পরিবারকে অবগত করে এবং পাঁচবিবি থানায় এজাহার দায়ের করলে পাঁচবিবি থানার মামলা নং-০৯ তারিখ ০৯ অক্টোবর ২০২৫, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ এর ৯(৩) রুজু হয়।
এর পরে পাঁচবিবি থানার মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের প্রেক্ষিতে র্যাব-৫, সিপিসি-৩ জয়পুরহাট এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের জন্য তৎপর হয়। অতঃপর গোপন সংবাদের প্রেক্ষিতে ২৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ ১৩২০ ঘটিকার সময় র্যাব-৫ সিপিসি-৩ (জয়পুরহাট) এবং র্যাব-১৩ সিপিসি-১(দিনাজপুর) এর যৌথ আভিযানিক দল ঘটনার সহিত জড়িত এজাহার নামীয় পলাতক আসামি অনিককে দিনাজপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন চাউলপট্টি এলাকা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।