শিরোনাম :
সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন

জয়পুরহাটে দাঁদন ব্যবসায়ীর রমরমা ব্যবসা: নিঃস্ব সাধারণ

Reporter Name / ৬১ Time View
Update : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট:
জয়পুরহাটে চলছে রমরমা সুদের ব্যবসা। প্রতি মাসে হাজার থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত সুদ দিতে হয় গ্রহীতাদের। মাস শেষে সুদের টাকা দিতে না পারলে সুদ বৃদ্ধি পায়। সেই সুদ দিতে না পারলে এসি, ওয়াশিং মিশিং এমনকি টিভি ও দিতে হয় সুদি মহাজনদের।
এরকমই একটি ঘটনা ঘটেছে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের চাকলমুয়া নিমেরপাড়া গ্রামের কামরুজ্জামান এর ছেলে রাকিবের সাথে।
জানা গেছে, উপজেলার পুনট বাজারে একটি দোকান ছিল রাকিবের। ভালো সম্পর্কও ছিল দাঁদন ব্যবসায়ী সুজাউল (নান্টু) এর সাথে। সে সুবাদে রাকিব সুজাউল ( নান্টু) এর কাছ থেকে ৪ লক্ষ্য টাকা নেন। সেটার পরিবর্তে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা করে সুদ পরিশোধ করতেন তিনি। তবে একপর্যায়ে সুদের টাকা না দিতে পারলে ওয়াশিং মিশিং, টিভিও দিয়ে দেন রাকিব।
এবিষয়ে অভিযুক্ত দাঁদন ব্যবসায়ী সুজাউল ওরফে নান্টু জানান, রাকিবের সাথে ভালো সম্পর্ক ছিল তার সবাই তাকে টাকা দিতে চাইতো না সেজন্য তাঁর মাধ্যমে বিভিন্ন যায়গা থেকে প্রায় ১১ লাখ ২৫ হাজার টাকা নিয়ে দিয়েছে এবং তার পরিবর্তে ২০ লক্ষ্য টাকার মামলা আদালতে চলমান আছে। পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলে সে বিষয়ে কিছু না বলে চলে যান। অভিযুক্ত দাঁদন ব্যবসায়ী সুজাউল ওরফে নান্টু পুনট এলাকার সার ব্যবসায়ী বারিক এর ছেলে।
ভুক্তভোগী রাকিব জানান, পুনট বাজারে ব্যবসার সুবাদে নান্টুর সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। তার কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা নিয়েছিলাম। এই টাকার সুদ প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা করে প্রায় ছয় মাস দিয়েছি। এক পর্যায়ে টাকা দিতে না পারলে ঘরের আসবাবপত্র দিয়েছি । পরে লোন দেওয়ার কথা বলে চেক নিয়ে ২০ লক্ষ্য টাকার মামলা করেন নান্টু। মামলার কারণে তিনি এখন ঘরছাড়া। তিনি ন্যায়বিচার চান।”
ভুক্তভোগী রাকিবের বাবা কামরুজ্জামান জানান, তার ছেলের সাথে ভালো সম্পর্ক থাকায় চার লক্ষ টাকা নিয়েছে রাকিব পরিবারের কেও জানতো না। তবে সুদের টাকা না দিতে পারলে বাসায় আসতো টাকা নিতে তখন শুনেছেন। চার লক্ষ টাকার পরিবর্তে ২০ লক্ষ্য টাকার মামলা দায়ের করেছে এটার সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত ‌।
এ বিষয়ে ঐ গ্রামের জাহানারা বেগম জানান, কিছুদিন আগে লোকজন সহ রাকিবের বাড়িতে আসে নান্টু। রাকিব সুদের টাকা না দিতে পারলে কিছু জিনিস পত্র নিয়ে চলে যায়। তিনি এলাকায় সুদের ব্যবসা করে ২ লাখ লিলে ৫ লাখ টাকার মামলা করে সুদ না দিতে পারলেই মামলা করে৷
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, রাকিব টাকা নিয়েছে কিন্তু লাভের টাকা না দিতে পারলে নিজেই জিনিসপত্র দেন টাকার পরিবর্তে।
এবিষয়ে আইনজীবী উজ্জল জানান, রাকিবের নামে একটি চেকের মামলা হয়েছে। রাকিব জানিয়েছে তার সাথে প্রতারণা করে মামলা করা হয়েছে যে মামলা করেছে সে টাকা পাবে না । তবে সম্পর্কের কারণে কিছু টাকা হাওলাত নিয়েছে এর পরে চেক নিয়ে মামলা করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category